Skip to content

পূজার যেদিন যেমন সাজ

লাইফস্টাইল ডেস্ক ॥

ঢাকা: শরতের নীলাকাশে সাদা মেঘের ফাঁকে রোদের ঝিলিক যেন দেবী দূর্গার আগমনের সংকেত দেয়। ঢাক বাজলেই চনমনে হয়ে ওঠে মন। জেগে ওঠে বছর জুড়ে লালন করা উৎসবের আনন্দ। ষষ্ঠী থেকে দশমী পর্যন্ত দেবী-দর্শণ, অঞ্জলী দান, সন্ধ্যা আরতি আর আত্মীয় বাড়ি বেড়ানো নিয়ে পরিকল্পনার যেন শেষ নেই।

ষষ্ঠীতে হালকা সাজ দিয়ে শুরু হয়ে রঙিনে বিদায় দশমীর। সকালে দেবীর অঞ্জলি দেয়ার সময় প্রকৃতিপূজার সজীব ভাব আর সন্ধ্যা আরতিতে জমকালো সাজ। নিজেকে রাঙাতে এমন দিনে থাকা চাই সবই।

সকাল বেলায় বেইজ মেকআপ করার ক্ষেত্রে ত্বকের টোনের সঙ্গে মিলিয়ে হালকা ফাউন্ডেশন লাগিয়ে তার উপর ট্রান্সলুসেন্ট পাউডার লাগিয়ে নিন। এবার ভিজে স্পঞ্জ দিয়ে ভালো করে ব্লেন্ড করে মুখে মেকআপ বসিয়ে নিলেই হল।

চোখের সাজে অফ হোয়াইট হাই লাইটস, বাদামি ও কালো রংয়ের কম্বিনেশন অথবা পোশাকের রংয়ের সঙ্গে মিশিয়ে হালকা রংয়ের আইশ্যাডো ব্যবহার করলে ভালো লাগবে। পেনসিল আই লাইনার অথবা চাইলে শুধু কাজলের একটা হালকা রেখা টেনে দিন চোখে। ঠোঁটে হালকা গোলাপি লিপস্টিক অথবা লিপগ্লস লাগাতে পারেন। সঙ্গে হালকা বাদামি রংয়ের ব্লাশন লাগালে সাজে চলে আসবে পূর্ণতা।

ষষ্ঠীতে দেবীর বোধনে পূজা শুরু হলেও জমে ওঠে সপ্তমী থেকে। এ জন্য সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীর রাতে বাইরে যাওয়ার সময় জমকালো সাজেই ভালো লাগবে। বেছে নিতে পারেন চওড়া পাড়ের কাতান শাড়ি। সঙ্গে স্বর্ণ, রুপা বা ইমিটেশনের ভারি গহনা। হাতভর্তি চুড়ি। সাজের আগে মুখ ক্লিন করে টোনিং করে নিন। ওয়াটার বেজড ফাউন্ডেশন ভালোভাবে মুখে, গলায় ও ঘাড়ে লাগিয়ে ব্লেন্ড করে নিন। এর ওপরে কমপ্যাক্ট পাউডার দিন। শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে চোখে গাঢ় রঙের শ্যাডো লাগিয়ে নিন। চোখের নিচে কাজল আর ওপরের পাতায় আইলাইনার দিয়ে মোটা করে লাইন টেনে নিন। দুইবার করে মাশকারা দিলে পাপড়ি একটু মোটা আর ভারি হবে- দেখতেও ভালো লাগবে। ঠোঁট এঁকে গাঢ় রঙের লিপস্টিক লাগিয়ে নিতে পারেন। শাড়ি পরলে মানানসই টিপ দিতে হবে।

পূজা দেখার সময় অনেক হাঁটতে হয়, তাই সাজের সঙ্গে মিলিয়ে আরামদায়ক স্যান্ডেল পরুন। তরুণীরা সালোয়ার-কামিজের পাশাপাশি হাতের কাজের নকশাদার কুর্তা ও ফতুয়ার সঙ্গে লেগিংস বা জিনস পরলে ভালো মানাবে। সারা দিনের জন্য বাইরে বের হলে চুলটা এমনভাবে বাঁধুন যাতে বাড়তি ঝামেলা পোহাতে না হয়। আবার দেখতেও যেন ভালো লাগে। খোঁপা করলে ফুল পরতে পারেন। বিবাহিতা হলে বড় করে কপালে লাল টিপ ও সিঁথিতে সিঁদুর পরুন।

দিনের বেলাতে বের হওয়ার আগে সান প্রোটেকশন ক্রিম বা লোশন ব্যবহার করতে ভোলা যাবে না। পূজার সকাল থেকে রাত পর্যন্ত পোশাকের ধরনের সঙ্গে মিলিয়ে হওয়া চাই চুলের সাজ। যেমন- অষ্টমীর অঞ্জলি দেয়ার সময় শাড়ির সঙ্গে মানাবে ঘাড়ের কাছে আলগা হাতখোঁপা। কিন্তু খোঁপায় যদি সাদা রঙের গাজরার মালা বা বেলি ফুলের মালা না থাকে, তাহলে পুরো সাজটাই অসম্পূর্ণ থেকে যাবে। আবার নবমী ও দশমীতে বা রাতের পার্টিতে গর্জিয়াস কাতান শাড়ি যদি পরেন, তাহলে চুলে হালকা কার্ল বা খোঁপাও করে নিতে পারেন।

পোশাকের সঙ্গে মানানসই ব্যাগ নিন। সারাদিনের জন্য বের হলে নিজের সাজ রক্ষার প্রয়োজনে ব্যাগে রাখতে পারেন ফেস পাউডার, লিপস্টিক, সানক্রিম, ফেসিয়াল টিস্যু, ছোট আয়না। এক বোতল জল রাখলে দরকার হলে তৃষ্ণা মিটিয়ে তরতাজাও থাকা যাবে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫