Skip to content

সম্পর্কে চিটিংবাজরা যে ৫ কথা বলে, উত্তর কী দেবেন

বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
ব্রেক আপ হয়েছে? অথবা প্রিয় কেউ আপনাকে চরম আঘাত দিয়েছে বা আপনার সঙ্গে প্রবঞ্চনা করেছেন? হয়তো অনেকের জীবনেই এই অভিজ্ঞতা রয়েছে। এবার যদি জিজ্ঞাসা করা হয়, সেই চিটিংবাজ তার ব্যবহারের কোন ব্যাখা দিয়েছেন, তাহলে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই একটা জবাব পাওয়া যায়, আমাদের মধ্যে মিল হচ্ছিল না, কিংবা আমি ইচ্ছে করে তোমাকে কষ্ট দিতে চাইনি। । সত্যি করে বলুন তো, বিশ্বাসে চরম আঘাত পাওয়ার পর এই সব অজুহাত আদৌ কোনো সান্ত্বনা হতে পারে? পারে না। কেউ কেউ, এতটাই মানসিক কষ্ট পান, যে প্রতিবাদ করার ভাষাই হারিয়ে ফেলেন, আবার কেউ কেউ ধৈর্য হারিয়ে কোনো অপ্রিয় কাজ করে ফেলেন।

কিন্তু বলি কি, এর কোনোটাই করতে হবে না… এমন কোনো পরিস্থিতির সম্মুখীন যদি আপনাকে হতে হয়, তাহলে তা স্মার্টলি হ্যান্ডেল করুন। এমন কিছু করবেন না, যাতে অপর ব্যক্তি বুঝে যান আপনাকে আঘাত করা বা আপনার মনোবল ভেঙে দেওয়া যায় সহজেই!

তোমাকে কষ্ট দিয়ে ফেলব বুঝতে পারিনি!
আপনার অজান্তে অন্য কারও সঙ্গে রাত জেগে কথা বলা, গদ গদ ংসং-আলাপ, মাঝে মধ্যেই টাকার এদিকওদিক… এসব কি ঘুমিয়ে ঘুমিয়ে করেছিলেন সেই ব্যক্তি? আসল ব্যাপার হল সেই ব্যক্তি তোয়াক্কাই করেন না, তার ব্যবহারে আপনি আঘাত পেলেন কি না!

এমন কোনো অজুহাত কেউ দিলে তাকে স্পষ্ট বুঝিয়ে দিন এই হাস্যকর অজুহাতে আপনি অন্তত আর ভুলবেন না। তাকে সহজ করে গোটা গোটা অক্ষরে বলে দিন তার এমন ব্যবহারের পিছনে উদ্দেশ্য কী ছিল তাতে আপনি বিন্দুমাত্র আগ্রহী নন। তার কী মনে হয়েছিল, এমন কথা জানতে পারলে ফুলের বোকে নিয়ে তাকে আবার জীবনে স্বাগত জানাবেন!

তোমার সঙ্গে আমার ঠিক মিলছে না
কিংবা ঘুরিয়ে এ কথাও বলতে পারেন, কবে যে খুব খুশি হয়েছিলাম তা আর মনেই পড়ে না যেন! কথায় কথায় আপনার খুঁত ধরাও যেন অভ্যেসে পরিণত হয়েছে। নিজে যে অন্য কারও সঙ্গে চুটিয়ে প্রেমলীলা চালাচ্ছেন, সে ব্যাপার নেহাতই তুচ্ছ। বরং আপনি কেন চা-টাও ঠিক করে বানাতে পারেন না, সেটিই জীবনের প্রধান ক্রাইসিস হয়ে দাঁড়ায়! মোদ্দা কথা একটা সময়ে যে যে গুণ দেখে সেই ব্যক্তি আপনার প্রেমে পড়েছিলেন, এখন সেগুলোই অসহ্য হয়ে উঠেছে!

এই উজবুগদের একটাই কথা বলার থাকতে পারে… নিজেকে মহান প্রমাণ করার চেষ্টা করো না। বিশ্বাসঘাতকতা তুমি করেছ, আমি নই…. আর তুমি আমাকে ছেড়ে দেওয়ার কে? উল্টে আমিই বলছি, নিজের রাস্তা দেখ… ব্যাস, এইটুকুই যথেষ্ঠ। এই ব্যক্তির জন্যে অতিরিক্ত এক মিনিট সময় নষ্ট করাও মূর্খামি।

আমার একটু সময় চাই
আরে বাবা, এ কি কোনো ব্যাবসার ডিল সই করা নাকি কোনো কোম্পানি থেকে আসা চাকরির অফার নিয়ে ভাবনা চিন্তা করা!

এমন কোনো জবাব এলে এর উত্তরে একেবারে স্ট্রে ব্যাটে খেলুন। পরিষ্কার জানিয়ে দিন আমি কোনো জব অফার নই, জীবন্ত জীবনসঙ্গী, যাকে তুমি আঘাত করেছ। তুমি কে ভাবনা চিন্তা করে আমাকে জবাব দেওয়ার। ওই যে দেখছ দরজা… সোজা বেরিয়ে যাও। তোমাকে ছাড়াই বরং ভালো থাকব।

তোমাকে আমি এখনও ভালোবাসি….
উফ, এমন একটি কথায় তো সেরা স্ক্রিপ্ট রাইটারের জাতীয় পুরস্কার দেওয়া উচিত। এমন কথা কোনো ব্যক্তি বললে, তার সঙ্গে বেশি কথা না বাড়িয়ে শুধু বলে আসবেন… আপনি তার মতো অতটাও উদার নন। তাই একই সঙ্গে আপনাকে ভালোবেসে অন্যের সঙ্গে অবৈধ সম্পর্কে রাখলে আপনি তার সঙ্গে আর একটি মুহূর্তও কাটাতে পারবেন না। যদি তিনি সত্যিই আপনাকে এতটাই ভালোবাসতেন, তাহলে অন্য কারও সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়ার কথা ভাবতেও পারতেন না।

আমি চেষ্টা করতে পারি, তুমি কি আমাকে ক্ষমা করতে পারবে!!
কথা শুনে মনে হবে উল্টে আপনার উপরেই দয়া করছেন। আর ঘুরিয়ে সব দায় নির্দ্বিধায় চাপিয়ে দেন আপনার উপরে। অর্থাত্ সম্পর্ক ভাঙার জন্যে শেষ পর্যন্ত দায়ী হবে আপনার ফের তাকে বিশ্বাস না করতে পারাকে!

এমন ব্যক্তির থেকে যত দূরে থাকবেন, ততই জীবনে খুশি থাকবে। শুরুতে এই সত্যিটা মেনে নিতে কষ্ট হলেও, পরবর্তী সময়ে দেখবেন, এই ব্রেক আপের জন্যে নিজেকেই বাহবা দেবেন। আর তাকে একটাই উত্তর দিন… আমার ক্ষমা পাওয়ার যোগ্যতাও তুমি হারিয়েছ!- সংবাদমাধ্যম

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫