স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঢাকা: স্বাভাবিক গতিতে সরকার বদলাবে, প্রকৃতির নিয়মে মানুষ বদলাবে কিন্তু ইতিহাসকে বদলানো যাবে না। কারণ এ ইতিহাস থেকে নতুন প্রজন্ম পূর্ববর্তী প্রজন্মের জিবন সংগ্রাম, অত্মত্যাগসহ গৌরবজ্জ্বল অধ্যায়গুলো সম্পর্কে জানতে পারবে।
মঙ্গলবার রাজধানীর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনিস্টিটিউট মিলনায়তনে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) আয়োজনে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে ‘তোমার জন্য হে স্বাধীনতা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ একথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিজয়ের ইতিহাস জানার মধ্যে দিয়ে নতুন প্রজন্মের মধ্যে দেশপ্রেম-দেশের জন্য মর্যাদাবোধ জন্মাবে। ইতিহাস জানলে প্রজন্ম দেশ প্রেমিক হয়ে উঠবে।’
নতুন প্রজন্মরের সামনে ইতিহাস গড়ার বড় সুযোগ আছে উল্লেখ করে শিক্ষামন্ত্রি বলেন, ‘এ প্রজন্মের যারা মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্ন বাস্তবায়িত করবে, মুক্তিযুদ্ধের চেতনাকে বাস্তবায়িত করবে, আমি মনে করে তারা আমার চেয়ে উত্তম মুক্তিযোদ্ধা।’ এসময় মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণের স্মৃতি এবং যুদ্ধক্ষেত্রের বর্ণনা দেন মন্ত্রী।
মন্ত্রী আরো বলেন, ‘আমাদের সামনে লক্ষ্য আছে। আমরা সে লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। সে লক্ষ্য অর্জনে শিক্ষার কোনো বিকল্প নেই। শিক্ষার মূল নিয়ামক শক্তি শিক্ষক। শিক্ষকদের সে দায়িত্ব পালন করতে হবে। সম্মান, মর্যাদা থেকে শুরু করে সর্বক্ষেত্রে আমরা আমাদের শিক্ষকদেরকে মাথায় তুলে রাখি।ভবিষ্যতেও রাখবো। কিন্তু শিক্ষকদেরকেও যেন মর্যাদা করা যায় তার আচার-আচরণ, শিক্ষাদানের পদ্ধতি দিয়ে তা প্রমাণ করবেন ‘
শিক্ষার্থীরা একজন শিক্ষককেই সবচেয়ে বেশিগুরুত্ব দেয়, সম্মান করে এবং অনুসরণ করে মন্তব্য করে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শিক্ষকদের সব সময়য়ই মার্যাদার শ্রেষ্ঠ অবস্থানে রেখেছি। তাদের বেতন দ্বিগুন করে দিয়েছি। শিক্ষকদেরকেও উচিত হবেশিক্ষার্থীদেরকে ভালো ভাবে পাড়ানো, ভালোভাবে শিক্ষা দেয়া।’
মাউশির মহাপরিচালক প্রফেসর ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বেআরও বক্তব্য রাখেন শিক্ষা সচিব মো. সোহরাব হোসাইন,আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক অধ্যাপক জিনাত ইমতিয়াজ আলী। মুক্তিযুদ্ধ স্মৃতি জাদুঘরের ট্রাস্টিমুফিদুল ইসলাম । অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতরের পরিচালক (মনিটরিং) প্রফেসর হরষিতবালা। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেরশিক্ষক-শিক্ষার্থীরা।
