স্টাফ রিপোর্টার ॥
মানসম্পন্ন টেলিযোগাযোগ সেবা দিতে শিগগিরই চূড়ান্ত হচ্ছে মোবাইল টাওয়ার শেয়ারিং নীতিমালা। টেলিযোগযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম মনে করেন, এর ফলে পরিবেশের ক্ষতি কমার পাশাপাশি নিরব”িছন্ন নেটওয়ার্ক সেবা পাবেন গ্রাহকেরা। তবে তৃতীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের টাওয়ার ব্যবহার করতে রাজি নন মোবাইল অপারেটররা। তারা নিজেদের টাওয়ার শেয়ারিংয়ের পক্ষে।
বাসাবাড়ি থেকে শুরু করে হাসপাতালের ছাদ নিয়ম অমান্য করে যেখানে-সেখানে বসানো হয়েছে মোবাইল টাওয়ার। এসব টাওয়ারের তরঙ্গ ক্ষতি করছে পরিবেশ ও মানবদেহের। বর্তমানে প্রতিটি অপারেটর আলাদা টাওয়ার ব্যবহার করছে। এতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে বাড়ছে এর সংখ্যা। টেলি প্রতিমন্ত্রী মনে করেন, নতুন নীতিমালায় অপারেটরদের ব্যয় কমার পাশাপাশি বাড়বে গ্রাহক সেবার মান।
টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম বলেন, সারাদেশ মোবাইল টাওয়ারের সংখ্যা ত্রিশ হাজারেও বেশি। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, নতুন এই গাইডলাইন শুধু পরিবেশ আর ভূমিই রক্ষা করবে না, এটা সরকার ও মোবাইল অপারেটর উভয়ের জন্যই নতুন সম্ভাবনা নিয়ে আসবে।
তবে তৃতীয় কোনো পক্ষকে টাওয়ার ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব না দেয়ার পক্ষে মোবাইল অপরাটেরদের সংগঠন অ্যামটব।
অ্যামটব মহাসচিব টি আই এম নুরুল কবির বলেন, ইকো-সিস্টেমটা ম্যানেজ করা যদি অপারেটরদের বাইরে কেউ ম্যনেজ করে তাহলে এই সিস্টেমের সার্ভিস এবং কোয়ালিটি এটার নিশ্চিয়তা দেয়া কঠিন হবে। এখানে টাওয়ারের অভ্যন্তরে অপরাটেররা শেয়ার করতে পারে। শেয়ার করে আমরা যদি নিজেরাই ম্যানেজ করি তহলে এটা আরো ফলপ্রসূ এবং কার্যকরী হবে।
বর্তমান টাওয়ার ব্যবহার নীতিমালায়, মোবাইল অপারেটরদের মধ্যে টাওয়ার ভাগাভাগি করার নির্দেশনা রয়েছে। তবে তা পুরোপুরি অনুসরণ করছে না অপারেটররা।
