বাংলাভূমি২৪ ডেস্ক ॥
বাজারের চাহিদার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ না হওয়ায় প্রতিবছর উচ্চশিক্ষা নিয়ে শ্রমবাজারে আসা শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই বেকার থাকছেন অথবা যোগ্যতা অনুযায়ী চাকরি পাচ্ছেন না। আবার অনেকসময় শূন্যপদে নিয়োগ দিতে গিয়ে যোগ্যতাসম্পন্ন লোকবল পাচ্ছে না অনেক দপ্তর।
এজন্য শিক্ষাব্যবস্থা, বহুদিনের চলে আসা নিয়ম ও প্রশ্নপত্রের মান উন্নত না হওয়াকে কারণ মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
স্বায়ত্তশাসিত একটি প্রতিষ্ঠানের হিসাবরক্ষক পদে নিয়োগ পরীক্ষা। কিন্তু পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে বাংলা, ইংরেজি, অংক আর সাধারণ জ্ঞানের আধিক্য বেশি, নেই সংশ্লিষ্ট কোন বিষয়। অংশগ্রহণে নেই কোন বাধা, তাই চাকরী প্রার্থী হিসেবে যে কেউ অংশ নিতে পারেন পরীক্ষায়।
ব্যাংক বা অন্যান্য ক্ষেত্রও প্রতিযোগিতার মাত্রা এক একটি শূন্য পদের বিপরীতে থাকে কখনো কখনো কয়েক হাজার। যারা সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের জন্য পরীক্ষায় বসেন তারা বলছেন, বিশেষায়িত বিষয়গুলোর তুলনায় অন্যান্য বিষয়ের প্রাধান্য পাওয়ায় যোগ্য ব্যক্তি যোগ্য স্থানে চাকরি পাচ্ছেন না।
আবার বিপরীত চিত্রও রয়েছে। কখনো কখনো যেসব শূন্য পদের বিপরীতে পরীক্ষা নেয়া হয় সেখানে পাওয়া যায় না যোগ্য প্রার্থী।
শিক্ষাবিদ সৈয়দ মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘শ্রেণীকক্ষের বই শেষ করে সে বাইরের বই পড়বে এই ধরণের শিক্ষা ব্যবস্থা আমরা এখনো তৈরি করতে পারিনি। এজন্য দোষ শিক্ষার্থীদের নয়।’
পিএসসি সাবেক চেয়ারম্যান সা’দত হুসাইন বলছেন, প্রশ্নের মানের উন্নয়নের মাধ্যমে যোগ্যতা অনুযায়ী নিয়োগ দেয়া গেলে, বিভাগগুলোতে যেমন দক্ষ লোকবল বৃদ্ধি পাবে পাশাপাশি বাড়বে কাজের গতি।
গত বছর পর্যন্ত, সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে প্রায় আড়াই লাখ পদ শূন্য থাকলেও সেগুলো পূরণের কোন উদ্যোগ নেই। এমনকি বিসিএস পরীক্ষা দিয়েও মেধাবী তরুণদের বছরের পর বছর অপেক্ষা করতে হয়। সব মিলে অনেকটাই হ-য-ব-র-ল অবস্থায় চলছে পুরো চাকরীর বাজার।
সূত্র: সময় টিভি
