স্টাফ রিপোর্টার ॥
ঢাকা: আগামী বুধবার শপথ নিতে যাচ্ছে নতুন নির্বাচন কমিশন। দায়িত্ব নেওয়ার পরই নতুন নির্বাচন কমিশনের সামনে প্রথম চ্যালেঞ্জ মার্চে অনুষ্ঠেয় উপজেলা নির্বাচন ও গাইবান্ধা সুন্দরগঞ্জের উপ-নির্বাচন। এই নির্বাচনকে প্রধান নির্বাচন কমিশনারসহ কমিশনাররাও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে চান। আর বিশিষ্টজনদেরও কথা, মার্চে অনুষ্ঠেয় উপজেলা নির্বাচন নতুন ইসির জন্য প্রথম পরীক্ষা।
বিশিষ্টজনদের বক্তব্য, বিএনপিসহ ২০ দলীয় জোট নতুন ইসির প্রধান নির্বাচন কমিশনসহ ইসির নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে ইতোমধ্যে। এখন নতুন ইসির সুযোগ আসছে, নিজেদের নিরপেক্ষতা প্রমাণের।
তারা বলছেন, শুধু বিএনপিই নয়অ ইসি নিয়ে জনগণের মধ্যেও দোলাচল রয়েছে। উপজেলা নির্বাচনে সবাই দেখবে নতুন ইসি কতটা সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষতা বজায় রাখতে পারে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নুরুল হুদা এ প্রসঙ্গে বলেন, যে যাই বলুক অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য যা করা দরকার আমি তাই করব।
তিনি বলেন, বিএনপি বা কোনো রাজনৈতিক দল আমার নিরপেক্ষতা নিয়ে যে প্রশ্ন তুলছে সে বিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। তবে আমি সবাইকে বলতে চাই, বিগত সময়েও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করেছি। এখনো তাই করব। আমার প্রধান কাজ হলো জনগণের ভোটাকাধিকার প্রয়োগে সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করা।
ইসি সূত্র জানা যায়, আগামী ৬ মার্চ দেশের ১৪ জেলার ১৮টি উপজেলায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২২ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে গাইবান্ধা-১ (সুন্দরগঞ্জ) আসনের উপ-নির্বাচন। গত ১ ফেব্রুয়ারি এ সংক্রান্ত নির্দেশনা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনকে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। উপজেলা পরিষদে এবারই প্রথম দলীয় প্রতীকে হচ্ছে।
এদিকে গত ৬ ফেব্রুয়ারি সার্চ কমিটির সুপারিশের পর রাষ্ট্রতি আবদুল হামিদ কে এম নুরুল হুদাকে প্রধান নির্বাচন কমিশনার করে পাঁচ সদস্যে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন করেন। নতুন নির্বাচন কমিশন গঠনের করার পর থেকেই এই কমিশনের বিষয়ে বিএনপি আপত্তি তুলেছে।
