Skip to content

গোরুর মাংস ধুমপানের মতোই ক্ষতিকর : আরএসএস নেতা

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
ভারত জুড়ে চলা সরকারের গবাদি পশু নির্দেশিকার প্রতিবাদের মধ্যেই এবার সুর চড়াল দেশটির রাজনৈতিক দল আরএসএস। ধুমপানের মতোই গো-মাংস ক্ষতিকারক। তাই সরকারের নৈতিক দায়িত্ব গো-মাংসে নিষেধাজ্ঞা জারি করা।  এমনটাই দাবি করলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের নেতা ইন্দ্রেশ কুমারের। ইতিমধ্যে বেশ কয়েকটি বিতর্কিত মন্তব্য করে সংবাদের শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি।  এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক বিবৃতিতে ওই নেতা জানিয়েছেন, সবারই উচিত গো-মাংস পরিহার করা।

এদিন কংগ্রেস সহ-সভাপতি রাহুল গান্ধীর উদ্দেশ্যেও বার্তা ছুড়ে দেন তিনি।  তাঁর দাবি, সংঘের বৈঠকগুলিতে অংশগ্রহণ করলে ভারতকে চিনতে পারবেন রাহুল।  উল্লেখ্য, গতসপ্তাহে রাহুল জানিয়েছিলেন সংঘের মতবাদের সঙ্গে লড়াই করতে তিনি গীতা ও উপনিষদ পাঠ করছেন।  ওই মন্তব্যের প্রেক্ষিতেই এদিন ইন্দ্রেশ কুমার বলেন, “যদি রাহুল গীতা ও উপনিষদ পাঠ করেন, তাহলে সংঘের প্রতি তাঁর মনোভাব সম্পূর্ণরূপে পাল্টে যাবে।  তিনি সংঘের বন্ধু হওয়ার জন্য এগিয়ে আসবেন।”

উল্লেখ্য, কয়েক দিন আগেই জামিয়া মিলিয়া ইসলামিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে আয়োজিত এক ইফতার পার্টিতে হাজির ছিলেন  ইন্দ্রেশ কুমার।  সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, দেশের সমস্ত মুসলিমদের গোমাংস না খাওয়াই উচিত।  কেননা হজরত মহম্মদ বা তাঁর পরিবারের লোকেরা কখনও গোমাংস খাননি।  বরং তাঁরা গোমাংস খাওয়াকে অসুখ হিসেবেই গণ্য করতেন।

প্রসঙ্গত, গো-মাংস ইস্যুতে বিজেপি ও সংঘ পরিবারের বিরুদ্ধে এককাট্টা হয়ে মাঠে নেমেছে বিরোধী দলগুলি।  চাপে পড়ে কিছুটা সুর নরমও করেছে মোদি সরকার।  উত্তরপ্রদেশ-সহ একাধিক বিজেপি শাসিত রাজ্যে গো-রক্ষকদের তা-বে বেশ বিপাকে পরেছে গেরুয়া শিবির।  তবে যাই হোক না কেন ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনকে মাথায় রেখে হিন্দুত্ববাদী মতবাদ থেকে যে আপাতত সরছে না বিজেপি তা স্পষ্ট।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫