Skip to content

৯৫ শতাংশ ধর্ষক একে অপরের পরিচিত

স্টাফ রিপোর্টার ॥

পশ্চিমা সভ্যতার প্রভাবে ভারতে ধর্ষণের মতো অপরাধ বাড়ছে। কয়েক দিন আগে এমনই মন্তব্য করেছিলেন আরএসএস নেতা ইন্দ্রেশ কুমার। আর এবার দিল্লির পুলিশ কমিশনার অমূল্য পাঠকের বিস্ফোরক দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, দিল্লিতে যত ধর্ষণের ঘটনা ঘটে, তারমধ্যে ৯৫ শতাংশ ক্ষেত্রেই ধর্ষক ও ধর্ষিতা একে অপরের পরিচিত।

সরকারি পরিসংখ্যান বলছে, দিল্লিতে গত বছর ২,১৫৫টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। মাত্র ৩.৫৭ শতাংশ ক্ষেত্রে ধর্ষক ও ধর্ষিতা অপরিচিত ছিল। এই পরিসংখ্যান উল্লেখ করে দিল্লির পুলিশ কমিশনার বলেন, ধর্ষণের ঘটনাগুলো খতিয়ে দেখলে বোঝা যাবে, ৪ শতাংশেরও কর্মক্ষেত্রে ধর্ষক ও ধর্ষিতা একে অপরকে চেনে না।

তিনি বলেন, ধর্ষক ও ধর্ষিতা যদি একে অপরের পরিচিত হয়, তাহলে সেক্ষেত্রে পুলিশের পক্ষে প্রথমেই হস্তক্ষেপ করা সম্ভব হয় না। কারণ এসব ক্ষেত্রে সাধারণত অপরাধের ঘটনার সঙ্গে সঙ্গেই পুলিশে অভিযোগ দায়ের করেন না নির্যাতিতা বা তার পরিবার।

২০১২ সালে দিল্লিতে চলন্ত বাসে গণধর্ষিতা হতে হয়েছিল প্যারা মেডিক্যালের এক ছাত্রীকে। দেশজুড়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছিল। ঘটনায় দোষী সাব্যস্তদের ফাঁসির সাজা বহাল রেখেছে সুপ্রিমকোর্ট। কিন্তু ধর্ষণের ঘটনা কমেনি৷ ফলে দিল্লিতে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বার বার প্রশ্ন উঠেছে৷

কমিশনার জানান, সংবাদমাধ্যমে যে ধর্ষণের ঘটনাগুলো প্রচার করা হয়, সেগুলির ক্ষেত্রে আত্মীয়, বন্ধু ও পরিচিতরাই জড়িত থাকে। ফলে দিল্লিতে নারীদের নিরাপত্তা নেই বলে ভ্রান্ত ধারণা তৈরি হয়েছে। তার দাবি, অনেক নারীই রাতে বাড়ি ফেরেন। তারা দিল্লির পুলিশের ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

তবে দিল্লিতে নারীদের নিরাপত্তা আরো বাড়ানোর জন্য উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, রাতে ট্যাক্সিতে যাতায়াত করার সময়ে নারীদের নিরাপত্তা যাতে বিঘ্নিত না হয়, তার জন্য উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে৷

এদিকে বনানীর ঘটনা ছাড়াও বাংলাদেশে একাধিক ধর্ষকের সাথে অপর ধর্ষকের পরিচয়ের বিষয়টি আলোচনায় এসেছে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫