বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
বন্যা পরবর্তীতে এখন সবচেয়ে ঝুঁকিতে রয়েছে বন্যা কবলিত প্রত্যন্ত অঞ্চলের শিশুরা। এরই মধ্যে দেখা দিয়েছে নানা ধরনের রোগ বালাই। বাড়িঘর বিলিন হওয়ায় ভেঙে পড়েছে স্যানিটেশন ব্যবস্থা। অনেক এলাকায় এখানো বন্যা পরবর্তী স্বাস্থ্য সেবা পৌঁছায়নি।
গত ১০ আগষ্ট বন্যার পানিতেই ভেসে নৌকায় জন্ম হয় শিশু আল আমিনের। জন্ম নেয়ার পর থেকে স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে মা ও শিশু। চিকিৎসা তো দূরের কথা মাথা গোজার ঠাই পাওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। স্বাভাবিক জন্ম হলেও রোগ-বালাই পিছু ছাড়ছে না বলে জানালেন নবজাতকের মা।
শুধু নবজাতক আল আমিন নয়, তার মতো অনেক শিশুই স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে রয়েছে। ঘরবাড়ি বিলিন হওয়ায় স্যানিটেশন সুবিধা থেকেও বঞ্চিত হাজারো পরিবার। চরাঞ্চলে এর প্রভাব পড়েছে সবচেয়ে বেশি।
কুড়িগ্রামের প্রত্যান্ত অঞ্চলের একজন বলেন, বন্যার কারণে আমাদের শিশুদের রোগ-বালাই ছড়াচ্ছে। আমরা কোনো চিকিৎসা পাচ্ছিনা।
চরাঞ্চলে বন্যা পরবর্তী সময়ে স্বাস্থ্য সেবায় এনেছে ব্যপক দুর্গতি, সে কারণে বন্যার পানিতে ছড়িয়েছে অনেক জীবানু। আর এ জীবানু থেকেই তৈরি হয়েছে রোগ-বালাই। অন্যদিকে স্যানিটেশন ব্যবস্থা একেবারেই ভেঙে পড়েছে।
বন্যা কবলিতে এসব এলাকায় স্বাস্থ সেবা অব্যহত রাখাকে বড় চ্যালেঞ্জ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
কুড়িগ্রাম সিভিল সার্জন ডা. এস এম আমিনুল ইসলাম বলেন, যাতায়াত ব্যবস্থা অত্যান্ত খারাপ। রাস্তাঘাট ভেঙে গেছে, ব্রিজ কালভার্ট ভেঙে গেছে। তারপরেও আমরা নৌকাযোগে মেডিকেল টিম পাঠানোর চেষ্টা করছি।
যদিও দুর্যোগপূর্ণ এলাকায় বন্যা এখনো মহামারি আকার ধারণ করেনি। তারপরেও স্বাস্থ্য সেবায় আরো ব্যপক ভূমিকার প্রয়োজন বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র : নিউজ টোয়েন্টিফোর টিভি
