বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
বিদ্যুতের থাকা-না থাকার প্রভাব পড়ছে মানুষের দৈনন্দিন জীবনে। দেশের বিভিন্ন জায়গায় দিনে আট থেকেস দশ ঘন্টাও লোডশেডিং হচ্ছে। ফলে লোকসান গুনছেন ব্যবসায়ীরা। ক্ষতির মুখে পড়ছে ছাত্র-ছাত্রীরা। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ কম থাকায় লোডশেডিং বেশি হচ্ছে।
দিন-রাত বলে কোনো কথা নেই। যশোর শহরে বিদ্যুৎ থাকে আসা-যাওয়ার মধ্যেই। দিনে ৮ থেকে ১০ ঘণ্টা পর্যন্ত লোডশেডিংয়ের কবলে পড়ছে শহরবাসী। গ্রামের অবস্থা আরো খারাপ। গরম বাড়লে নাজুক হয়ে ওঠে বিদ্যুৎ পরিস্থিতি। এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের একজন বলেন, ‘রাত হলেই বিদ্যুৎ চলে যায়। এতে ছেলেমেয়েদের লেখাপড়ার ক্ষতি হচ্ছে।’
পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির তথ্য অনুযায়ী, যশোরে ১৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদার বিপরীতে সরবরাহ হয় ১৩৫ মেগাওয়াট। এছাড়া লাইন মেরামতের কারণেও সমস্যা বাড়ছে বলে জানালেন কর্মকর্তারা।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির ডেপুটি জেনারেল ম্যানেজার শান্তনু রায় জানান, ‘মেইনটেনেন্স ও লোডশেডিং এক না হয় তবে গ্রাহকরা এক করে দেখেন এ কারণে বিভ্রান্তি হচ্ছে।’
একই পরিস্থিতির মধ্যে আছে কুষ্টিয়াও। কুষ্টিয়া ওজোপাডিকো নির্বাহী প্রকৌশলী রেজওয়ানুল ইসলাম জানান, ‘বিদ্যুৎ সরবরাহ না বাড়লে অবস্থার পরিবর্তন হবে না। তাছড়া পিক আওয়ারে ৯৯ মেগাওয়াট চাহিদা থাকলেও, ৫০ মেগাওয়াট পাচ্ছি।’
এদিকে নরসিংদী পল্লীবিদ্যুৎ সমিতির চাহিদার সমান বিদ্যুৎ পেলেও লোডশেডিং থেকে নিস্তার পায়নি এখানকার মানুষও। এর কারণ সম্বন্ধে জানতে চাইলে কথা বলতে রাজি হননি সংস্থাটির কর্মকর্তা। নরসিংদী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-১ এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার এ, জেড, এম আজাদ জানান, ‘অনুমতি ব্যতীত এসব তথ্য দেয়া যায় না।’ সূত্র : ইনডিপেনডেন্ট টিভি
