বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় সন্ত্রাসবাদকে চ্যালেঞ্জ করা ছাড়া আর কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছে রোহিঙ্গা বিদ্রোহী সংগঠন আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভাসন আর্মি (আরসা)। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর একটি ট্রাকে হামলা চালানোর কারণ হিসেবে রবিবার সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম টুইটারে এমন এক পোস্ট দেন বিদ্রোহী গ্রুপটির নেতা আতা উল্লাহ। তবে তিনি তার অবস্থানের কথা উল্লেখ করেননি।
তিনি বলেন, ‘রোহিঙ্গা সম্প্রদায়কে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হাত থেকে রক্ষা করতে আমাদের যুদ্ধ ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। মানবিক চাহিদা এবং রাজনৈতিক ভবিষ্যতের বিষয়ে চিন্তা করে রোহিঙ্গাদের বর্তমানে কাজ করতে হবে।’
শুক্রবার মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে সেনাবাহী ট্রাকে রোহিঙ্গা জঙ্গিরা হামলা চালালে ওই হামলার দায় স্বীকার করে নেয় আরাকান রোহিঙ্গা স্যালভেশন আর্মি। এতে ৬ সেনা আহত হয় যাদের হাসপাতালে ভর্তিম করা হয়েছে ও এদের একজনের অবস্থা গুরুতর।
হামলা প্রসঙ্গে মিয়ানমার সরকার জানায়, প্রায় ২০ বিদ্রোহী হাতে বানানো বেশ কিছু অস্ত্র দিয়ে হামলাটি চালিয়েছে।
মিয়ানমার সরকারের পক্ষ থেকে জ হাতৈ ‘আরসা’র এধরনের যুদ্ধের দাবি নাকচ করে বলেছেন, তার সরকার এধরনের সন্ত্রাসীদের দাবি প্রত্যাখ্যান করেছে এবং এদের নির্মূল না করা পর্যন্ত অভিযান অব্যাহত থাকবে। মিয়ানমার সেনাবাহিনীর একটি সূত্র রাখাইনের পরিস্থিতি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে অস্বীকার করেন। তবে সেখানে এখনো সাংবাদিকদের প্রবেশ করতে দেওয়া হচ্ছে না।
উল্লেখ্য, গত বছর ২৫ আগস্টে ৬ লাখ ৫৫হাজার রোহিঙ্গা মিয়ানমার সেনাবাহিনীর অত্যাচারে বাংলাদেশে আশ্রয় নেয়। জাতিসংঘ রোহিঙ্গাদের উপর এই বর্বরোচিত হামলাকে ‘জাতিগত নিধন’ বলে আখ্যায়িত করে। রয়টার্স
