বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
বাড়ছে ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত শিশুর সংখ্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্যানুযায়ী, দেশে প্রতি বছর ৫ হাজার ডাউন শিশুর জন্ম হয়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মায়ের গর্ভে ডাউন শিশুর ডিএনএ পরীক্ষা করে ডাউন শিশুর জন্ম প্রতিরোধ করা সম্ভব।এদিকে বিশ্বর অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও আজ পালিত হচ্ছে বিশ্ব ডাউন সিনড্রোম দিবস।
চিকিৎসা বিজ্ঞানী একে বলেন, ডাউন সিনড্রোম অর্থাৎ কাক্সিক্ষত মাত্রায় বেড়ে না ওঠা। ডাউন সিনড্রোম শিশুদের নিয়ে তাদের মা-বাবা মনে রয়েছে নিদারুন কষ্ট।
ডাউন শিশুরা সাধারণত বসতে, দাঁড়াতে, হাঁটতে ও কথা বলতে শেখে দেরিতে। আবার এ রকম এক বা একাধিক কাজ কোনো দিনই শেখে না।
রমনা বুদ্ধি প্রতিবন্ধি বিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ রেহানা আখতার বুলবুল বলেন, ডাউন শিশুদের প্রশিক্ষণ দিতে পাড়লে তারা সাভাবিক চলাফেরা করতে পারবে। তবে ডাউন শিশুদের নিয়ে মা-বাবা সাধারণত পড়াশুনা নিয়ে যে আশা থাকে সেটা সাভাবিক শিশুদের মতো হয় না।
দেরিতে মা হলে ডাউন সিনড্রোম সন্তানের আশঙ্কা বাড়ে। ২৫ বছররের বেশি বয়সী ১২’শ গর্ভবতী মায়েদের একজন। ৩০ বছর বয়সী গর্ভবতী মায়েদের ৯’শ জনের মধ্যে একজন। আর ৪০ বছর বয়সী প্রতি ১’শ জনের মধ্যে একজনের ডাউন শিশু জন্ম গ্রহণ করতে পারে।
ঢাকা শিশু হাসপাতালের অধ্যাপক ডাঃ এম. এ. কে আজাদ চৌধুরী বলেছেন, যেসব মায়েরা বেশি বয়সে বাচ্চা নিয়ে থাকেন তাদের ক্ষেত্রে ডাউন সিনড্রোম সন্তানের জন্ম নেবার সম্ভাবনা থাকে। গর্ভধারণের ১৬ সপ্তাহের মধ্যে গর্ভবতী নারীর শরীর পরীক্ষা করে এর প্রতিরোধ করা সম্ভব।
চিকিৎসক ও সংশ্লিষ্টদের মতে আগেই ডাউন শিশু সনাক্ত করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্তের মাধ্যমে এ রোগ প্রতিরোধ করা সম্ভব।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বিশ্বে প্রতি ৮০০ শিশুর মধ্যে একজন ডাউন সিনড্রোম নিয়ে জন্মায়। সারা পৃথিবীতে প্রায় ৭০ লাখ ডাউন সিনড্রোমে আক্রান্ত মানুষ রয়েছে।
সূত্র : চ্যানেল টোয়েন্টিফোর
