বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সংলাপে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধিদলে জায়গা না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের নেত্রী রুমা আলী।
অভিযোগ করে তিনি বলেন, নারী বলেই তার নাম জোটের প্রতিনিধিদল থেকে বাদ দেয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর ক্রাইম রিপোর্টার্স বহুমুখী সমবায় সমিতিতে এক সংবাদ সম্মেলন করে এ ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।
লিখিত বক্তব্যে রুমা আলী বলেন, গত ৬ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের (আইডিএ) সংলাপ হয়। বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টও জোটে আছে। কিন্তু একমাত্র নারী প্রেসিডিয়াম সদস্যের প্রতি এহেন বিমাতাসুলভ আচরণ কোনো বিবেচনায় গ্রহণযোগ্য হতে পারে না।
অবশ্য তার এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ১৮ দলের এ জোটের প্রধান নেতা বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী।
ভোটের আগে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সংলাপের অংশ হিসেবে ৬ নভেম্বর বিভিন্ন ইসলামী দল ও জোটের সঙ্গে বসেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।
১৬টি ইসলামী দলের ৫২ নেতা সেদিন ওই সংলাপে অংশ নেন। তাদের মধ্যে ইসলামিক ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের প্রতিনিধি ছিলেন পাঁচজন। তাদের নেতৃত্বে ছিলেন বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের মিছবাহুর রহমান চৌধুরী।
গত বছর আত্মপ্রকাশ করা অনিবন্ধিত দল বাংলাদেশ ডেমোক্রেটিক ফ্রন্টের চেয়ারম্যান রুমা আলী সংবাদ সম্মেলনে বলেন, আমি মনে করি জোটের একমাত্র নারী সদস্যকে বাদ দিয়ে জোটের প্রতিনিধিদল নির্বাচন নারীর ক্ষমতায়নের চেতনার মূলে কুঠারাঘাতের শামিল।
এ বিষয়ে মুখ না খোলার জন্য হুমকি দেয়া হচ্ছে অভিযোগ করে তিনি বলেন, আমি সাংবাদিকের মাধ্যমে এ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
অভিযোগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে বাংলাদেশ ইসলামী ঐক্যজোটের চেয়ারম্যান মিছবাহুর রহমান চৌধুরী সাংবাদিকদের বলেন, সংলাপের জন্য তারা জোটের ১৮ দলের প্রধানের নাম পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু গণভবন থেকে বলা হয়, যেহেতু আরও দল সেদিন সংলাপে অংশ নেবে, আইডিএ থেকে যেন দুজনের নাম দেয়া হয়।
মিছবাহুর রহমান বলেন, তখন আমরা উনাদের অনুরোধ করে জোটের জ্যেষ্ঠ পাঁচজনের নাম পাঠাই। উনি (রুমা আলী) যে অভিযোগ করেছেন, নারী বলে নেয়া হয়নি- এটি ঠিক নয়। উনি ভুল বুঝেছেন।
