





ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে দশম শ্রেণির এক মাদ্রাসা ছাত্রী (১৫) কে জোর পূর্বক তুলে নিয়ে ধর্ষণ করা হয়েছে বলে অভিযোগ।শুক্রবার (১০ মে) রাতে কোলা ইউনিয়নের খালকোলা (বৃত্তিপাড়া) গ্রামের আব্দুল রউফের ছেলে আল-আমিনসহ অপর এক যুবক ওই ছাত্রীকে একটি






মাঠের মধ্যে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে সারা রাত ধর্ষণ করে।ধর্ষণ শেষে তাকে হাত-পা ও মুখ বেধে মাঠের মধ্যে ফেলে রেখে যায়। ধর্ষিতা ছাত্রী মাগুরা জেলার শালিখা উপজেলার কোটবাগ দাখিল মাদ্রাসার দশম শ্রেণির ছাত্রী।এ ঘটনায় ধর্ষক আল-আমিনসহ অজ্ঞাত ব্যক্তির






নামে থানায় মামলার প্রস্তুতি হয়েছে। এদিকে ঘটনার পর থেকে ধর্ষক আল-আমিন এলাকা থেকে পালিয়ে গেছে।ধর্ষিতার পিতা জানায়, শুক্রবার রাত আনুমানিক ৯ টার দিকে বাড়ির পাশে মোবাইল ফোনের চার্জার আনতে যায় তার মেয়ে। সে সময় চার্জার নিয়ে বাড়ি ফিরার পথে পূর্ব পরিকল্পিতভাবে ওৎ পেতে থাকা আল-আমিন ও তার সহযোগি তার মেয়েকে জোর করে তুলে নিয়ে রাত ভর ধর্ষণ করে। ধর্ষণের পর তাকে হাত পা ও মুখ বেঁধে মাঠের মধ্যে ফেলে রেখে পালিয়ে যায় তারা। রাতে পরিবারের লোকজন তাকে অনেক






খোঁজাখুঁজি পায়নি।শনিবার (১১ মে) সকালে গ্রামের কৃষক মাঠে কাজ করতে গিয়ে ওই ছাত্রীটির হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে। পরে পরিবারের লোকজন ও এলাকাবাসী তাকে উদ্ধার করে।কালীগঞ্জ থানার অফিসার-ইন-চার্জ (ওসি) ইউনুচ আলী






বলেন, এক মাদ্রাসা ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে থানায় ধর্ষক আল-আমিনসহ অজ্ঞাত অপর এক ব্যক্তির নামে মামলার প্রস্তুতি চলছে। পুলিশ ধর্ষক আল-আমিন কে গ্রেপ্তারের চেষ্টা করছে। অপরদিকে ধর্ষিতার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ঝিনাইদহ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।






