Skip to content

প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে সাকিব-মাশরাফিরা সেহেরি খাচ্ছেন

আগামী ৩০ মে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ২০১৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের আসর। কিন্তু তার আগেই বাংলাদেশ পৌছে গেছে আয়ারল্যান্ড। আয়ারল্যান্ড ও উইন্ডিজকে নিয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলছে বাংলাদেশ দল।এদিকে ঠিক দুই বছর আগে এই সময় ইংল্যান্ডে চলছিল

চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি ২০১৭। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে খেলার জন্য বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দল তখন ইংল্যান্ডে অবস্থান করছিল।আর এবারের

মতই রমজান মাসে রোজা রাখার জন্য প্রবাসী বাংলাদেশিদের সাথে এক সাথে সেহেরি খান মাশরাফি-সাকিবরা।আর সেই ছবি সোস্যাল যোগাযোগ ম্যাধমে পোস্টের সাথে সাথে ছড়িয়ে পরে। সেই ছবিতে দেখা যায় দলের প্রায় সবাবই একসাথে বসে সেহেরি খাচ্ছেন।

বর্তমানে বাংলাদেশের জনপ্রিয় ব্রান্ড তীর, রূপচাঁদা ও পুষ্টি ব্র্যান্ডের সরিষার তেল নিম্নমানের। সম্প্রতি বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ড অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করে।এদিকে চলতি রমজানকে লক্ষ্য রেখে বাজার থেকে নমুনা সংগ্রহের পর

পরীক্ষা করে ৫২ ব্র্যান্ডের ১৮টি নিম্নমানের পণ্য চিহ্নিত করে সংস্থাটি।এ ব্যাপারে বিএসটিআইর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, গত দুই মাসে ইফতার ও সেহরির জন্য ব্যবহৃত ২৭ ধরনের খাদ্যপণ্যের ৪০৬টি নমুনা বাজার থেকে সংগ্রহ করে বিএসটিআই ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হয়। নমুনার মধ্যে ৩১৩টির ফল পাওয়া গেছে।এ সময় সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ভেজাল সরিষার তেলের মধ্যে সিটি অয়েল মিলের তীর, গ্রিন ব্লিসিং ভেজিটেবল অয়েল কোম্পানির জিবি, বাংলাদেশ এডিবল অয়েলের রূপচাঁদা এবং শমনম ভেজিটেবল অয়েলের পুষ্টি ব্র্যান্ড রয়েছে।তাছাড়া ভেজাল আয়োডিনযুক্ত লবণের মধ্যে এসিআই, মোল্লা সল্ট, মধুমতি, দাদা সুপার, তিন তীর, মদিনা, স্টারশিপ, তাজ ও নূর স্পেশাল ব্র্যান্ড রয়েছে।এদিকে ভেজাল লাচ্ছা সেমাইয়ের মধ্যে মিষ্টিমেলা, মধুবন, মিঠাই, ওয়েলফুড, বাঘাবাড়ী স্পেশাল, প্রাণ, জেদ্দা, কিরণ ও অমৃত রয়েছে। নুডলসের মধ্যে নিউজিল্যান্ড ডেইরির ডুডলি নুডলস।তাছাড়া ভেজাল হলুদের গুঁড়ার মধ্যে রয়েছে ড্যানিশ, ফ্রেশ, বাঘাবাড়ী স্পেশাল, প্রাণ ও সান। এসিআই ফুডের এসিআই পিওর ব্র্যান্ডের ধনিয়াগুঁড়া পরীক্ষাগারে অকৃতকার্য ঘোষণা করা হয়। কাশেম ফুড প্রোডাক্টের ‘সান’ ব্র্যান্ডের চিপসও নিম্নমানের।বিএসটিআই পরীক্ষায় নিম্নমান প্রমাণিত হওয়ায় নামি-দামি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ৫২ ব্র্যান্ডের পণ্য জব্দ ও সেসব বাজার থেকে তুলে নিয়ে ধ্বংসের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সেইসঙ্গে এসব পণ্য উৎপাদন বন্ধেরও নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।আজ ১২ মে রবিবার দুপুরে বিচারপতি শেখ হাসান আরিফ ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ দেন। নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ ও ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদফতরকে এই আদেশ বাস্তবায়ন করতে বলেন তারা।এদিকে আদেশের পর্যব্ক্ষেণে আদালত বলেন, নিরাপদ খাদ্য ব্যবস্থা গড়ে তুলতে সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করতে হবে।এ বিষয়টিকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিতে হবে। সরকার এর আগে যেমন মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে, প্রয়োজনে ভেজালের বিরুদ্ধেও একই রকম ব্যবস্থা নেবে।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫