





২২ বছরের এক যুবককে অপহরণ করে হেনস্থা ও মারধরের অভিযোগ উঠেছে ফুফুর বিরুদ্ধে। ওই যুবকের দোষ- ফুফুর পরকীয়া সম্পর্কের কথা জানতে পেরে চরম মুহূর্তের ভিডিও করে রেখেছিলেন।গত বুধবার ভারতের পুনে’তে ঘটনাটি ঘটে।ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের






খবরে বলা হয়, ফুফু ওই যুবককে অপহরণ করে জোর করে মোবাইল থেকে সেই সব ছবি ও ভিডিও মুছে ফেলতে বাধ্য করে। এমনকী মোবাইলের পাসওয়ার্ড বলতে রাজি না হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কোপানো হয়।আক্রান্ত যুবকের নাম শিবদীপ মনোহর ফুলারি। পুনের দিঘি






এলাকার বাসিন্দা তিনি। পরে বিশরন্তওয়াড়ি পুলিশ স্টেশনে তিন অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।ফুলারি পেশায় একজন গ্যারাজের কর্মী। সকাল সাড়ে এগারোটা নাগাদ এক বন্ধুকে নিয়ে বাইকে যাচ্ছিলেন তিনি। সেই সময় কয়েকজন অজানা ব্যক্তি






তার পথ আটকায়। একটি ওমনি ভ্যানে জোর করে তাকে তুলে নেওয়া হয়।গাড়িতেই তাকে মারধর করে তার মোবাইলের সমস্ত ভিডিয়ো মুছে ফেলা হয়। এরপর মোবাইল ফিরিয়ে খড়কি রোডে একটি ব্রিজের কাছে তাকে ফেলে দিয়ে চম্পট দেয় দুষ্কৃতীরা। তার কাছে থাকা গুরুত্বপূর্ণ কিছু কাগজও হারিয়ে গিয়েছে বলে দাবি ফুলারির।






ভূমধ্যসাগরে প্রায় ৭৫ জন অভিবাসী নিয়ে গত ৯ মে বৃহস্পতিবার একটি বোট ইতালির উদ্দেশে যাওয়ার সময় তিউনিশিয়া উপকূলে ডুবে যায়। এতে অন্তত ৩৭ বাংলাদেশির মৃত্যু হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে ত্রিপলির বাংলাদেশ দূতাবাস। নিহতদের মধ্যে সিলেটেরেই ৬ যুবক রয়েছে।এরা হলেন- মৌলভীবাজারের কুলাউড়ার বাসিন্দা, সিলেট জেলা ছাত্র লীগের সাবেক সভাপতি শাহরিয়ার আলম সামাদের ছোট ভাই আহসান হাবিব শামীম (১৯) ও তার শ্যালক কামরান আহমদ মারুফ (২৩), ফেঞ্চুগঞ্জ উপজেলার কটালপুর এলাকার মুয়িদপুর গ্রামের হারুন মিয়ার ছেলে আব্দুল আজিজ (২৫),একই গ্রামের মন্টু মিয়ার ছেলে আহমদ (২৪) ও সিরাজ মিয়ার ছেলে লিটন (২৪)। এছাড়া ওই গ্রামের নিহত আরেকজনের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি।গতকাল শনিবার রাত ১টার দিকে শাহরিয়ার আলম সামাদ তার ভাই ও শ্যালক নিহত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি জানান, প্রায় ২ মাস আগে তার ভাই ও শ্যালক দেশ ছাড়ে।এদিকে নিহত ফেঞ্চুগঞ্জের আজিজের ভাই মফিজুর রহমান ওই উপজেলার চারজন নিহত হওয়ার বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে জানিয়েছেন।তিনি জানান, শনিবার দুপুর ৩টার দিকে তিউনিসিয়া উপকূল থেকে বেঁচে যাওয়া তার চাচা মুয়িদপুর গ্রামের দিলাল ফোন করে ওই চার জনের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।এর আগে গত ৯ মে বৃহস্পতিবার ভূমধ্যসাগরে নৌকাডুবিতে অন্তত ৬০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। বেঁচে ফেরা অভিবাসীদের ভাষ্যমতে, নৌকাটিতে ৫১ জন বাংলাদেশি ছাড়াও তিনজন মিশরিয় এবং মরক্কো, শাদ ও আফ্রিকার অন্যান্য কয়েকটি দেশের নাগরিক ছিল।






