স্টাফ রিপোর্টার ॥
‘বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ভৌত সুবিধাদি ও গবেষণা কার্যক্রম বৃদ্ধিকরণ’ প্রকল্পের কার্যক্রম ও অগ্রগতি বিষয়ক কর্মশালা রবিবার সকালে ইনস্টিটিউটের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয়।
এ প্রকল্পের মাধ্যমে গোপালগঞ্জ ও সিরাজগঞ্জে ব্রির দুুটি নতুন আঞ্চলিক কার্যালয় স্থাপনসহ গাজীপুরে প্রতিষ্ঠানটির সদর দফতর ও অন্যান্য আঞ্চলিক কার্য়ালয়ের ব্যাপক উন্নয়ন কাজ এগিয়ে নেয়া হচ্ছে। পাশাপাশি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত ও প্রযুক্তি উদ্ভাবনসহ প্রতিষ্ঠানের গবেষণা সক্ষমতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে চলমান রয়েছে আরো কিছু উন্নয়ন পরিকল্পনা বাস্তবায়নের কাজ।
ব্রি’র মহাপরিচালক ড. মো. শাহজাহান কবীরের সভাপতিত্বে এ কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নাসিরুজ্জামান। এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা উইংয়ের যুগ্ম প্রধান মো. রেজাউল করিম। ব্রির পরিচালক (প্রশাসন ও সাধারণ পরিচর্যা) ড. মো. আনছার আলী এতে স্বাগত ভাষণ দেন এবং অনুষ্ঠানে ধন্যবাদ সূচক বক্তব্য রাখেন ব্রির পরিচালক (গবেষণা) ড. তমাল লতা আদিত্য।
কর্মশালায় উপস্থাপিত তথ্য অনুযায়ী প্রকল্পের মূল কার্যক্রমের মধ্যে ফসলের নিবিড়তা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ব্রি উদ্ভাবিত ধানের জাতসমূহ মাঠ পর্যায়ে পৌঁছানো, ল্যাবরেটরি ও গবেষণা মাঠের সুযোগ বৃদ্ধি, দেশে উচ্চ শিক্ষার (পিএইচডি) মাধ্যমে ১০ জন দক্ষ বিজ্ঞানী গড়ে তোলা, ১ হাজার ১২৫ জন সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ও ৪ হাজার ৩২০ জন মডেল কৃষককে নতুন প্রযুক্তি হস্তান্তর বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান, ৫০ জন কর্মকর্তাকে প্রকল্প বাস্তবায়ন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ে প্রশিক্ষণ প্রদান, বিজ্ঞানী-কর্মকর্তাদের বৈদেশিক প্রশিক্ষণ ও সফরের সুযোগ বৃদ্ধি, কেন্দ্রীয় গবেষণাগার নির্মাণ, যানবাহন ক্রয় এবং বিদ্যমান অফিস ও গবেষণাগারের উন্নয়ন রয়েছে । বিগত ২০১৬ সালের জুন মাস থেকে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়েছে যা ২০২০সালে শেষ হবে। প্রকল্প পরিচালক তার মূল উপস্থাপনায় জানান, এ পর্যন্ত প্রকল্পের আওতায় ৫টি উচ্চ ফলনশীল ধানের জাত উদ্ভাবনসহ শতকরা ৭০ ভাগ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
