Skip to content

একেক জায়গায় একেক পরিচয় দিতেন সাহেদ

বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
সাহেদের রিজেন্ট হাসপাতাল ও রিজেন্ট গ্রুপের প্রধান কার্যালয়ে অভিযানে একের পর এক তার অপকর্মগুলো জানতে পারে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। পাশাপাশি মুখ খুলতে শুরু করেছেন তার দ্বারা নির্যাতন-নিপীড়নের শিকার অনেক ব্যবসায়িক অংশীদার।

কাগজে-কলমে সাহেদের পেশা একটি হাসপাতালের চেয়ারম্যান এবং সমাজসেবক হলেও তিনি একেকজনের সামনে নিজের একেক পরিচয় তুলে ধরতেন।

সাহেদের সঙ্গে পাওনা আছে-এমন একজন বলেন, “আমার সঙ্গে ব্যবসার জন্য তিনি যখন আসতেন তখন নিজেকে ‘মেজর ইফতেকার আহম্মেদ চৌধুরী’ দাবি করতেন। আবার কখনো ‘কর্নেল ইফতেকার আহম্মেদ চৌধুরী’ও বলতে শুনেছি। যখনই কথা হতো সেনা কর্মকর্তা পরিচয় দিতেন।”

আরেক ভুক্তভোগী বলেন, “কখনো কখনো নিজেকে ‘মেজর সাহেদ করিম’ হিসেবে পরিচয় দিতেন সাহেদ।”

২০১৮ সালে ঢাকার বালু ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদিনের কাছ থেকে সেনা কর্মকর্তা পরিচয়ে ১৫ লাখ টাকার বালু কিনেছিলেন সাহেদ। সেই বালু পদ্মা সেতুতে ব্যবহার হবে বলে জানিয়েছিলেন জয়নালকে। দুই বছর হলেও বালুর টাকা পরিশোধ করেননি সাহেদ।

ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদিন বলেন, ‘টাকার অভাবে ঋণের বোঝা এত ভারী হয়েছে যে, ৯ মাস ধরে বাড়িভাড়া দিতে পারছি না। পাওনা টাকা চাইলে একদিন সে আমাকে তার রুমে নিয়ে গিয়ে পিস্তল দেখায়।’

সিলেটের শামসুল মাওলা দাবি করেন, “তিনি সাহেদের কাছ থেকে ৩০ লাখ টাকা পান। একবার টাকা চাইলে সাহেদ নিজেকে ‘প্রধানমন্ত্রীর পিএস (একান্ত সচিব)’ বলে হুমকি দিয়ে টাকা না দিয়ে চলে যায়।”

সাহেদের বিরুদ্ধে চলতি বছরের জানুয়ারিতে তিনটি মামলাও করেছেন শামসুল মাওলা।

সাহেদের পদবী নিয়ে বিভ্রান্তির পাশাপাশি তার ‘আসল নাম’ নিয়েও রয়েছে বিভ্রান্তি। রিজেন্ট গ্রুপের ওয়েবসাইট ও রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যানের নামেও জায়গায়ও রয়েছে ‘মো. সাহেদ’ নাম। তবে তার সম্পাদনা ও প্রকাশনার ‘দৈনিক নতুন কাগজ’ পত্রিকাটির নামে সরকারি অ্যাক্রিডিটেশন কার্ডে তার নাম ‘মোহাম্মদ সাহেদ’। জাতীয় পরিচয়পত্রে তার নাম ‘মো. শাহেদ করিম’।

সম্পর্কিত আরও সংবাদ

সাম্প্রতিক সংবাদ

আর্কাইব

প্রধান উপদেষ্টাঃ মোঃ শওকত হোসেন সরকার

প্রধান সম্পাদকঃ মোঃ আব্দুস সালাম

সম্পাদক ও প্রকাশক : মোঃ নজরুল ইসলাম আজহার

ঠিকানা : এ/১৩১ (ইকবাল কুটির) হাবিব উল্লাহ স্মরণী, জয়দেবপুর, গাজীপুর-১৭০০।

সেলফোন : ০১৭১৬-৩৩৩০৯৬ ॥ E-mail: banglabhumibd@gmail.com

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত বাংলাভূমি ২০০৯-২০২৫