নেত্রকোনা প্রতিনিধি:
নেত্রকোনার কেন্দুয়ায় মায়ের সাথে গরু আনতে হাওরে গিয়ে ফেরার পথে বজ্রপাতে ১০ বছর বয়সী মীম আক্তার নামের এক শিশু নিহত হয়েছে। শনিবার (৩১ মে) বিকালে উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের ডুমদি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
অন্যদিকে একই উপজেলার রোয়াইল বাড়ি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামে বিদ্যুতের তার ছিড়ে বাথরুমের সাথে লেগে থাকায় বিদুৎস্পর্শে মারুফা আক্তার (৩০) নামের এক গৃহবধু নিহত হয়েছে।
তথ্যগুলো নিশ্চিত করে কেন্দুয়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, বজ্রপাতে নিহত হওয়া শিশুটি গড়াডোবা ইউনিয়নের ডুমদি গ্রামের আলী উসমানর মেয়ে। দিনভর থেমে থেমে বৃষ্টি হওয়ায় বিকালে বৃষ্টি কিছুটা থেমে গেলে সে তার মা রীনা আক্তারের সাথে হাওরের মাঠ থেকে গরু আনতে যায়। কিন্তু ফেরার পথে পুনরায় বৃষ্টি শুরু হলে শিশুটি দৌড়ে মায়ের আগে চলে আসতে চাইলে বাড়ির নিকটেই বজ্রপাতে নিহত হয়। খবর পেয়ে পুলিশ গিয়ে লাশ উদ্ধার করে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করে।
এদিকে বিদুৎস্পর্শে নারীর মৃত্যুর ব্যাপারে তিনি আরও জানান, সকালের দিকে একই উপজেলার রোয়াইল বাড়ি ইউনিয়নের কুতুবপুর গ্রামের সোহেল মিয়ার স্ত্রী বাথরুমে যান। সেখানে বিদুৎএর তার ছিরে ঘরের টিনের সাথে লেগে থাকায় ওখানেই বিদুৎস্পর্শ হলে তাকে উদ্ধার করে বাড়ির পাশবর্তী কিশোরঞ্জ জেলার নান্দাইল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
জেলা প্রশাসক বনানী বিশ্বাস জানান, বজ্রপাতে নিহতের পরিবারকে এককালীন ২০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
