স্টাফ রিপোর্টার ॥ যাত্রাবাড়ী,সায়েদাবাদ ও গুলিস্তানের ৫ কিলোমিটার সড়ক সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বয়ে এনেছে। মেয়র হানিফ ফাইওভার নির্মাণের কারণে যাত্রাবাড়ী এলাকাজুড়ে দেখা দেয় তীব্র যানজট। ফলে ঈদে ঘরমুখো মানুষকে বাড়ি ফেরার পথে ভয়াবহ দুর্ভোগে পোহাতে হচ্ছে।
ফাইওভার নির্মাণে সমন্বয়হীনতা, রাস্তার ওপর নির্মাণ সামগ্রী ফেলে রাখা, বড় বড় গর্ত, বাস পার্কিং ও দীর্ঘ সময় ধরে রাস্তা মেরামতের কারণে প্রতিদিন যানজট লেগেই থাকে। কর্তৃপরে অবহেলা ও ফাইওভার নির্মাণে ধীরগতির কারণেই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে।
সংঘত কারণেই রাজধানী থেকে মুন্সীগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা, লীপুর, চাঁদপুর, কক্সবাজার, তিন পার্বত্য জেলা ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার যাত্রীদের সড়কপথে ঢাকা যাতায়াত করতে হয়। পথের পুরো সড়ক অনেকটা শান্তিতে গেলেও গুলিস্তান-যাত্রাবাড়ীর ৫ কিলোমিটারের এ পথটিতেই তাদেরকে বেশি ঝামেলা পোহাতে হয়।
দেশের দণিাঞ্চলের সঙ্গে রাজধানীর সঙ্গে যোগাযোগের জন্য এ রাস্তার কোনো বিকল্প নেই। রাস্তার এমন বেহালদশার কারণেই এ অঞ্চলের মানুষকে বাড়ি ফিরতে নির্ধারিত সময়ে চেয়ে তিন গুণেরও বেশি সময় অতিবাহিত করতে হয়।
সায়েদাবাদ-নোয়াখালীর পথে চলাচলকারী বাস একুশে সার্ভিসের গাড়িচালক আরিফুল ইসলাম বাংলামেইলকে বলেন, ‘এ সমস্যাটি শুধু এখনকার নয়। দীর্ঘদিন ধরেই আমাদেরকে এটি মোকাবেলা করতে হচ্ছে। কেউ বিষয়টি নিয়ে একটু চিন্তা করছে না।’
হানিফ সার্ভিসের কাউন্টার মাস্টার জসিম উদ্দিন বলেন, ‘সড়কের বেহাল দশার কারণে যাত্রীরা এখন সড়ক পথ রেখে রেলের দিকে ঝুঁকছেন।’
ভিআইপি সার্ভিসের গাড়ি চালক রিয়াজ উদ্দিন জানান, ফাইওভার নির্মাণের কারণে যাত্রাবাড়ী অতিক্রম করতে ৪ থেকে ৬ ঘন্টা পর্যন্ত সময় লেগে যায়। ফলে যাত্রীরা চরম বিরক্ত অনুভব করেন।
রাস্তার এ বেহাল দশার কারণে যাত্রীদেরকে কয়েক ঘণ্টা অতিরিক্ত সময় নষ্ট করতে হচ্ছে। একই সঙ্গে বেশি সময় লাগার কারণে পরিবহণগুলো যাত্রীদের কাছ থেকে দ্বিগুণ হারে ভাড়া আদায় করারও অভিযোগ রয়েছে। আগামী দুই দিনে এ সংকট আরও প্রকট হবে বলে আশঙ্কা যাত্রী ও বাস মালিকদের।
