স্টাফ রিপোর্টার ॥
নারায়ণগঞ্জ সিটি নির্বাচনে মেয়র পদে সেলিনা হায়াৎ আইভীকে জয়ী করতে কেন্দ্র থেকে তদারক করছে আওয়ামী লীগ। আচরণ বিধির কারণে ভোটের মাঠে সংসদ সদস্যরা যেতে না পারলেও সরকারি দায়িত্বে না থাকা প্রভাবশালী নেতারা নির্বাচন পরিচালনা করছেন। এবারের ভোটের ফল আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন দলের নীতি-নির্ধারকেরা।
নারায়ণগঞ্জে ভোটের মাঠে মুখোমুখি আওয়ামী লীগ ও বিএনপি। নির্বাচনকে এসিড টেস্ট হিসেবে নিয়েছে বিএনপি। অন্যদিকে আওয়ামী লীগও মরিয়া মেয়র প্রার্থীর জয় নিশ্চিত করতে। দলের সভাপতিমন্ডলির সদস্য কাজী জাফরউল্লার নেতৃত্বে দুজন সাংগঠনিক সম্পাদক সরাসরি ভোটের মাঠে আছেন। নারায়নগঞ্জ আওয়ামী লীগের নেতাদের ঐক্যবদ্ধ রাখতে তৎপর তারা।
আওয়ামী লীগের যুগ্ন সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ বলেন, ‘আওয়ামী লীগের প্রত্যেকটা নেতা-কর্মী কাজ করছেন। যারা শামীম ওসমাসের অনুসারী তারাতো আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মী। আওয়ামী লীগের সবাই একসাথে কাজ করে নৌকার পক্ষে বিজয় নিয়ে আসবেন এটা আমরা বিশ্বাস করি।
আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডলীর সদস্য আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘২০১৯ সালে জাতীয় নির্বাচন হবে। কাজেই সেটাকে সামনে রেখেই সকল নির্বাচনকেই আমরা গুরুত্ব দেই। নিশ্চয়ই ন্রাায়ণগঞ্জের নির্বাচনে মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবে এবং সেটা জাতীয় নির্বাচনেও প্রতিফলিত হবে। আমরা অনেক গুরুত্ব দিয়ে এই নির্বাচন পরিচালনা করব। এই নির্বাচনে স্থানীয় নেতাদের সাথে সমন্বয় করে পরিচালনা করা হবে। সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কেন্দ্রের একটা বিরাট ভূমিকা থাকবে’।
প্রচার কৌশল নির্ধারণে একটি প্রস্তাব কেন্দ্রে পাঠিয়েছেন সেলিনা হায়াৎ আইভী। কেন্দ্রের নেতারা বলছেন গত দুই মেয়াদে চেয়ারম্যান ও মেয়র হিসেবে আইভী নারায়ণগঞ্জে যে উন্নয়ন করেছেন তা তুলে ধরার পাশাপাশি সরকারের সাফল্য প্রচার করা গেলেই তার জয় নিশ্চিত।
নারায়ণগঞ্জের কয়েকজন প্রভাবশালী আওয়ামী লীগ নেতাকে এখনো ভোটের মাঠে দেখা যায়নি। কেন্দ্রের নেতারা দাবি করছেন নৌকা প্রতীকের বিরোধিতা কেউ করবেন না।
