বাংলাভূমি ডেস্ক ॥
প্রতি বছর ৭ হাজারেরও বেশি শিশু থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে জন্ম নিচ্ছে। ভয়াবহ এ রোগের সহজ ও কার্যকর চিকিৎসা পদ্ধতি না থাকায় দুর্বিষহ জীবন কাটছে অনেকের। এমন অবস্থায় সারাদেশে চিকিৎসা সম্প্রসারণ ও ব্যাপক জনসচেতনতা গড়ে তোলার তাগিদ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
থ্যালাসেমিয়া বংশগত রক্তের রোগ। রক্তে যদি স্বাভাবিক হিমোগ্লোবিন কম থাকে তাহলে থ্যালসেমিয়া হয়। এর ফলে রক্তশুণ্যতাও দেখা দিতে পারে। থ্যালাসেমিয়া গুরুতর না হলে চিকিৎসার তেমন প্রয়োজন নেই। তবে থ্যালাসেমিয়া মারাত্মক আকার ধারণ করলে রোগীর শরীরে নিয়মিত রক্ত দিতে হয়। এর চিকিৎসার ভার বহন করতে হয় বছরের পর বছর।
থ্যালাসেমিয়া ফাউন্ডেশনের তথ্য অনুযায়ী, দেশে ১ কোটি ১০ লাখ মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। আর, আক্রান্তের সংখ্যা কমপক্ষে ৬০ হাজার। এই রোগে দিনে দিনে রোগীরা রক্তশূন্য হয়ে পড়ে। এই রোগের চিকিৎসার জন্য দেশে হাতগোনা কয়েকটি বেসরকারি হাসপাতাল রয়েছে।
চিকিৎসকেরা বলছেন, নিয়মিত নিরাপদ রক্তগ্রহণ এবং কিছু নির্দিষ্ট ওষুধ খেলে থ্যালাসেমিয়া রোগী কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে থাকতে পারেন। রোগের বিস্তার ঠেকাতে সচেতনতার ওপর বেশি জোর দিচ্ছেন তারা।
চিকিৎসকদের পরামর্শ, সন্তান যাতে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত না হয় সেজন্য বিয়ের আগেই নারী-পুরুষের রক্ত পরীক্ষা করা উচিত। স্বামী-স্ত্রী দুজনেই যদি এই রোগের বাহক হয় তবে গর্ভধারণের ৮ থেকে ১০ সপ্তাহের মধ্যে ভ্রূণের পরীক্ষা করে নিতে হয়। সূত্র: ইন্ডিপেন্ডেন্ট টিভি
